শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৫৩ অপরাহ্ন

আজ বিশ্ব নারিকেল দিবস

লামিয়া আলম / ৫৩ বার পঠিত
সময় : বৃহস্পতিবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ

সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

“নারিকেল হচ্ছে স্বর্গ থেকে পাঠানো সৃষ্টিকর্তার উপহার”- এ বিশ্বাস থেকেই নারিকেলের পূজা করত পশ্চিম ফিলিপাইনের আদিবাসীরা।

সর্বপ্রথম নারিকেল চাষাবাদ তারাই শুরু করেন বলে ধারণা করা হয়। সেই নারিকেলের চাহিদা আজ বিশ্বজুড়ে।

২ সেপ্টেম্বর,  বিশ্ব নারিকেল দিবস।
২০০৯ সাল থেকে এশিয়ান প্যাসিফিক কোকোনাট কমিউনিটি (এপিসিসি) সংস্থাটি প্রতি বছর এ দিনে দিবসটি উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
ইন্ডিয়াসহ মোট ১৮টি দেশ নিয়ে এপিসিসি সংস্থাটি গঠিত। এ দিবসের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নারিকেল শিল্পের উন্নতির মাধ্যমে একটি দেশের অর্থ ব্যবস্থাকে মজবুত করা।

পুষ্টিগুণের ভিন্নতার পাশাপাশি নারিকেলের ব্যবহারেও রয়েছে ভিন্নতা।
নারিকেলের পানি বেশ পুষ্টি সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে ভিটামিন সি, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের মত উপাদান।
যা মানুষের হাইপার টেনশনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

নারিকেল ফ্যাট ফ্রি হওয়ার কারণে হার্টের জন্যও উপকারী। এমনকি ওজন কমাতেও সাহায্য করে।
নারিকেল থেকে তৈরিকৃত তেল চুলের জন্য বেশ পুষ্টিকর।
এছাড়াও নারিকেলের দুধ খুবই স্বাস্থ্যসম্মত। ভেজিটেরিয়ানরা নারিকেলের দুধের মাধ্যমে তাদের দেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করেন।

নারিকেল দিবস পালনের আরেকটি লক্ষ্য, বিশ্বজুড়ে নারিকেলের গুরুত্ব বোঝানো।
নারিকেল কেবল একটি খাদ্যবস্তু হিসেবে উপকারী নয়, এটি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমও বটে।
নারিকেলের চাষাবাদ করে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের লাখো মানুষ আজ জীবিকা নির্বাহ করছে। আবার ব্যবহৃত করছে তাদের বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবেও (হিন্দু ধর্মালম্বীদের)।
ইন্ডিয়ার বেঙ্গালুরুতে দিবসটি বেশ ঘটা করে পালন করা হয়। এটি তাদের জন্য একটি বড় উৎসব।

প্রায় ৯০০০ নারিকেল দিয়ে ৩০ ফুট উচ্চতার একটি গণেশ মূর্তি তৈরি করা হয় সেদিন।
আয়োজন করা হয় পূজার। পূজা শেষে সব নারিকেল বিতরণ করে দেয়া হয় গরিবদের মধ্যে।
এছাড়াও ইন্ডিয়ার কেরালা প্রদেশসহ অন্যান্য প্রদেশের স্কুলগুলোতেও এ দিবসটি পালিত হয়।
স্কুলের শিক্ষার্থীরা নারিকেলের ছবি আঁকে। তাদের আঁকা ছবি দিয়ে সাজায় ক্লাসরুম ও স্কুলের আঙিনা।
এছাড়াও নারিকেল গাছের পাতা এবং নারিকেলের খোসা দিয়ে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে তারা, যেমন- ফ্লোর ম্যাট, ব্যাগ, পাখা, ঝুড়ি, খেলার ঘর, পুতুল ইত্যাদি।
নারিকেলের আঁশ দিয়ে তৈরি ব্যাগ পলিথিনের ব্যাগের পরিবর্তে ব্যবহার করা যেতে পারে।
বিশ্বের এমন অনেক দেশ রয়েছে যেখানে তাদের আয়ের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে এই নারিকেলের ব্যবসা।
কিন্তু বিশ্বজুড়ে নারিকেলের চাহিদা খুবই কম। তাই নারিকেল শিল্পের উন্নতিও হচ্ছে খুব ধীর গতিতে।
জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং শিল্পের উন্নতির জন্য পালিত হয় দিবসটি।
বিশ্বজুড়ে এর চাহিদা বৃদ্ধি পেলে এর উপর নির্ভরশীল মানুষের জীবনেও পরিবর্তন আসবে।


সংবাদটি শেয়ার করুন:
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

Theme Customized By Theme Park BD